দেশভাগ

বাংলা ভাগ ও শ্যামাপ্রসাদ

গৌতম রায়

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি দল ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যজুড়ে হিন্দু মহাসভা নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে তুমুল মাতামাতি শুরু হয়েছে। বলা যায়, মর্যাদা অনুযায়ী, তিনি এখন বাংলা রাজনীতির উত্তমকুমার। সাদৃশ্যটি একটু চটুল হয়ে গেলেও বর্ণনা হিসেবে এটি যথাযথ। পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, কলকাতা শহরে শ্যামাপ্রসাদের একটি ১২৫ ফিট উঁচু মূর্তি তৈরি হবে। তাছাড়া ইতিমধ্যে তো যত্রতত্র শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি বসে যাচ্ছেই। তার জীবন ও কর্মকাণ্ড স্থান পাবে ছাত্রদের পাঠক্রমে। সবচেয়ে খারাপ হল, হঠাৎ বেখাপ্পাভাবে বিজেপি নেতাদের বক্তৃতা বা বিবৃতিতে উঠে আসছে শ্যামাপ্রসাদ ও সুভাষচন্দ্র বসুর তুলনা। সে যাই হোক, বিজেপির শ্যামাপ্রসাদ চর্চার দৌলতে রাজ্যের রাজনীতিতে আবার ফিরে এসেছে ’৪৭-এর বাংলা ভাগের ইতিহাস। কিন্তু আগে যে বঙ্গ বিভাজন নিয়ে আলোচনা হত তাতে অগ্রাধিকার পেত দেশভাগের বেদনা, প্রায় ৮০ লক্ষ হিন্দুর অভিবাসন। ফেলে আসা ঘর-বাড়ি, নদী, পুকুরের স্মৃতি, সবশেষে উদ্বাস্তু জীবনের নতুন চ্যালেঞ্জ। এখন সেই ইতিহাস আমূল বদলে গেছে। বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হওয়ায় হিন্দুরা প্রাণে বেঁচে গেল এবং এই নতুন রাজ্যের রূপকার শ্যামাপ্রসাদ। এই পটভূমিতে বাংলাভাগ বিশেষ করে তাতে শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকা নিয়ে পুনরালোচনা অপ্রাসঙ্গিক হবে না। ১৯৪৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি ঘোষণা করেন, ১৯৪৮-য়ের জুন মাসের মধ্যে ব্রিটিশ সরকার ভারত ত্যাগে দৃঢ় সংকল্প। এর মধ্যে ভারতীয়রা যদি সর্বসম্মতভাবে তাদের সরকারের রূপরেখা ঠিক করতে না পারে তাহলে যে যেখানে ক্ষমতায় আছে তাদের হাতে দায়িত্বভার তুলে দিয়ে ব্রিটিশরা ফিরে আসবে। এরপরেই শুরু হয়ে যায় সারা দেশে রাজনৈতিক দলগুলির তৎপরতা। প্রসঙ্গত, ’৪৬ সালে দাঙ্গা বিধ্বস্ত পাঞ্জাব ও বাংলার অবস্থা দেখে কংগ্রেস নেতারা বিভাজন মেনে নিতে প্রস্তুত হয়েই গিয়েছিলেন- এই পরিস্থিতিতে মার্চ মাসে দিল্লিতে এ. আই. সি. সি.র বৈঠকে পাঞ্জাব ভাগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। আশ্চর্য হল, বৈঠকে ওই রাজ্যের কোনো কংগ্রেস নেতা উপস্থিত ছিলেন না। দ্বিতীয়ত, বিভাজনের যারা প্রবল বিরোধী- সেই গান্ধীজী ও মওলানা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন দিল্লিতে অনুপস্থিত। গান্ধীজী গিয়েছিলেন দাঙ্গা-উপদ্রুত পাটনায়। সেখান থেকে ফিরে তিনি একটি চিঠি লেখেন নেহরুকে। চিঠিটি প্রণিধানযোগ্য। “অনেকদিন ধরেই পাঞ্জাব বিভাজন সম্পর্কে এআইসিসি’র প্রস্তাব নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন ছিল। এ বিষয়ে আমার কিছু বক্তব্য আছে। সম্পূর্ণ তথ্যের অভাবে আমাকে খুব সতর্কতার সঙ্গে অগ্রসর হতে হবে। সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি আচার্য কৃপালনী মাদ্রাজে বলেছেন, বিভাজনের ওই নীতি বাংলাতেও অনুসরণ করা যেতে পারে। এদিকে মুসলিম লিগের এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, পাঞ্জাব ও বাংলার মত মুসলিম সংখ্যাধিক্যের প্রদেশে যদি বিভাজনের নীতি প্রযোজ্য হয় তবে বিহারের মত হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রদেশে তা হবে না কেন? আমার বিশ্বাস, এ. আই. সি. সি.’র প্রস্তাবের মধ্যে যে যুক্তি আছে তা আমার অজানা। স্বেচ্ছায় সম্মতির দাবি যুক্তি ও হৃদয়ের কাছে...” পাঞ্জাবের মত বাংলাভাগ নিয়ে এ. আই. সি. সি. নেতারা রাজি হয়েই ছিলেন। এমনকি আচার্য কৃপালনী ও নেহরু দুজনেই আলাদাভাবে ব্রিটিশ বড়লাট লর্ড ওয়াভেলকে চিঠি লিখে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। তবু কেবল দলের আনুষ্ঠানিক সিলমোহরটি পড়া বাকি ছিল। সেটি পড়ে এপ্রিল মাসে। আশ্চর্য হল, ওই বৈঠকেও বাংলার কোনো নেতা উপস্থিত ছিলেন না। ছিলেন না গান্ধীজীও। যাই হোক প্রস্তাবটি অনুমোদনের পরেই বাংলায় শুরু হয় এর সমর্থনে জনমত গঠনের তৎপরতা। এই পর্বে রাজ্যে পরিচিতি পান শ্যামাপ্রসাদ। মনে রাখতে হবে, শ্যামাপ্রসাদের দল হিন্দু মহাসভা কিন্তু বাংলায় তেমন কোনো জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ছিল না। ’৪২ সালে ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সময় অধিকাংশ কংগ্রেস নেতা যখন কারারুদ্ধ তখন হিন্দু মহাসভা সেই শূন্যস্থান পূরণ করে। যেহেতু তারা সবচেয়ে আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে শরিক করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন তাই ব্রিটিশদের সঙ্গে তাদের ছিল অশেষ সখ্য। তাছাড়া ’৪৩ সালে শ্যামা-হক মন্ত্রিসভা গঠন করে তারা রাজ্যে কিছুটা আলোর জগতে আসেন। আবার কংগ্রেস নেতারা জেল থেকে মুক্তি পেলেই তাদের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ’৪৬ সালের নির্বাচনে সারা বাংলার হিন্দু মহাসভার পাঁচ জন প্রার্থী ছিল, একজনও জয়ী হতে পারেননি। কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে শ্যামাপ্রসাদ পেয়েছিলেন মাত্র ৩৪৬টি ভোট, অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১০,২১৬টি। পরে তিনি নির্দল সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় আসনে জয়ী হয়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার প্রতিনিধি হন। প্রসঙ্গত, সর্দার প্যাটেলের অনুরোধে কংগ্রেস নেতারা তার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেননি। ফলে তার জয় হয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। মুসলিম লিগ নেতা আবুল হাসিম শ্যামাপ্রসাদ সম্পর্কে ঘুরিয়ে বলেছেন, তিনি ছিলেন ব্রিটিশের দালাল। ২০ ফেব্রুয়ারি অ্যাটলির ওই ঘোষণার দু’দিন পরে তিনি ব্রিটিশ গভর্নর বারোজের সঙ্গে দেখা করতে যান এবং তারপর থেকে হয়ে ওঠেন বাংলা ভাগের অন্যতম প্রবক্তা। ১৫ এপ্রিল তারকেশ্বরে হিন্দু মহাসভার সম্মেলনে দলের সভাপতি নির্মল চ্যাটার্জি বলেন, ভারত ভাগ হোক বা না হোক্, হিন্দুদের স্বার্থে বাংলা ভাগ করতেই হবে। আধুনিক বিজেপি’র পরিভাষায় বলা যেতে পারে এর কারণ হিন্দু খতরে মে হ্যায়। তবে অধিকতর সংগঠিত শক্তির জন্য কংগ্রেসের প্রচার ছিল অনেক জোরদার। গোটা মার্চ মাস জুড়ে প্রধানত কলকাতা ও তার সন্বিহিত জেলা এবং বীরভূম, বাঁকুড়া বা মেদিনীপুরে কংগ্রেসের ডাকে অসংখ্য সভা হয়। সরকারি রিপোর্টে জানা যায়, বড় আকারের জনসভা কংগ্রেস সংগঠিত করেছিল ৫৯টি এবং হিন্দু মহাসভা ১২টি। অর্থাৎ আন্দোলনের নেতৃত্ব কংগ্রেসের হাতেই ছিল। অবশ্য দাবি এক হওয়ায় তারা উভয়েই এই সময় হাত ধরাধরি করে চলতে থাকে। বিভিন্ন জেলার আইনজীবী অ্যাসোসিয়েশনগুলি বঙ্গভঙ্গের দাবিকে স্বীকৃতি দেয়, এগিয়ে আসে অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনও। কলকাতার অমৃতবাজার পত্রিকা এপ্রিল মাসে বঙ্গভঙ্গের সমর্থন অথবা বিরোধিতা নিয়ে একটি স্বাক্ষর অভিযান করলে দেখা যায় যে ৯৮ শতাংশ স্বাক্ষরকারী বঙ্গবিভাগের পক্ষে মত দিয়েছেন। সোজা কথায়, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু ভদ্রলোক শ্রেণি এককাট্টা হয়ে বঙ্গ বিভাগের পক্ষে দাঁড়ায়। এর বিপরীতে বাংলা ভাগের বিরোধিতা করেন কংগ্রেসের শরৎচন্দ্র বসু, কুমিল্লার আইনজীবী কামিনী কুমার দত্ত, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরিশালের বেশ কিছু আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবী। তারা বলেন, তাহলে তো সেই মুসলিম লিগের দাবিকেই মেনে নেওয়া হচ্ছে। দেশভাগ করে কখনও সাম্প্রদায়িক সমস্যার সমাধান হতে পারে না। প্রসঙ্গত, বিড়লা তো বাংলা ভাগের পক্ষে ছিলেনই, সেই সঙ্গে মাড়োয়ারি শিল্পপতিরা যেমন বদ্রীদাস গোয়েঙ্কা, ঈশ্বরদাস জালান প্রমুখও বাংলা ভাগের পক্ষে দাঁড়ান। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত বাংলার পাটের ব্যবসা একচেটিয়াভাবে ছিল এদের দখলে। কিন্তু ’৪৩ য়ের মন্বন্তরের পর দুর্ভিক্ষপীড়িত পূর্ব বাংলার গুরুত্ব তাদের কাছে কমে যায়। অনেকেই চটকলগুলির মালিকানা ছেড়ে দিয়ে অন্য ব্যবসায় বিনিয়োগ শুরু করেন। অখণ্ড বাংলায় মুসলিম লিগ শাসন বহাল থাকলে মুসলিম শিল্পপতিরাই বেশি সুবিধা পাবে এমন আশঙ্কায় তারা হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গভঙ্গের প্রবল সমর্থক। এমনকি এর সমর্থনে সভা করার জন্য তারা কংগ্রেস ও হিন্দু মহাসভাকে অর্থ জোগাতেও দ্বিধা করতেন না । শেষ পর্যন্ত ’৪৭ সালের ২০ জুন বাংলার আইনসভায় তিনবার ভোটাভুটি হয়। প্রথম ভোটে সব সদস্য একযোগে ভোট দিয়ে ১২৬-৯০ ব্যবধানে প্রস্তাব করে যে তারা পাকিস্তান সংবিধান পরিষদে যোগ দেবে। দ্বিতীয় ভোটে শামিল হন শুধু অমুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলির সদস্যরা। সেই ভোটে ৫৮-২১ ব্যবধানে তারা প্রস্তাব পাশ করান যে বাংলা বিভক্ত হবে এবং অমুসলিম ভোটদাতাদের ভোটে গঠিত রাজ্যটি ভারতে যোগ দেবে। তৃতীয় ভোটে মুসলিম সদস্যরা ১০৭-৩৪ ভোটে প্রথম ভোটের রায়টিরই পুনরাবৃত্তি করেন। এই ভোটাভুটির ফলেই বঙ্গ বিভাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এই ভোটাভুটিতে হিন্দু মহাসভা তথা শ্যামাপ্রসাদের ভোট ছিল মাত্র ১টি। এমনকি কমিউনিস্টদেরও ছিল তিনটি ভোট। সুতরাং সংখ্যার বিচারে শ্যামাপ্রসাদকে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বলে সম্বোধন করা হলে ভুল হবে। এই বঙ্গ বিভাগের পরিণাম কী হয়েছিল? ঢাকা জেলার কমিউনিস্ট নেতা জ্ঞান চক্রবর্তী তার স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থে লিখেছেন, “ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান রাষ্ট্রকে হিন্দু জনসাধারণ প্রথম হইতেই আপনার বলিয়া মনে করিতে পারে নাই। অথচ পূর্ব বাংলার হিন্দু পরিবারগুলির যুবকেরা অধিকাংশই ছিলেন কম-বেশি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত। এদের অনেকে ছিলেন কংগ্রেসে, কেউ যুগান্তর বা অনুশীলন দলে। পরিবারগুলিতে ছিল প্রভাত ফেরীর রীতি, ছিল রবীন্দ্রনাথের স্বদেশি গানগুলির চর্চা। এদের মনে বঙ্গ বিভাজন ছিল এক বিরাট আঘাত। এহেন স্বাধীনতা যে দেখতে হবে তা তাদের অজ্ঞাত ছিল।” ১৯৫০ সালে খুলনার কালশিরা গ্রামে এক কমিউনিস্ট যুবকের সন্ধানে এসে মুসলিম লিগের পুলিশ স্থানীয় হিন্দু গ্রামবাসীদের বাড়িতে ব্যাপক হামলা চালায়। বহু বাড়িতে লুঠপাট হয়, নারী ধর্ষণ হয় এর ফলে বহু হিন্দু পরিবার সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসে ওইসব অত্যাচারের বর্ণনা করলে শুরু হয় দুই বাংলাতেই প্রবল দাঙ্গা। শুধু ওই ৫০ সালেই প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে আসেন। এর বিপরীত অভিবাসনও চলে সমান গতিতে। বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে প্রচার করতে গিয়ে তথাকথিত পশ্চিমবঙ্গের রূপকার শ্যামাপ্রসাদ বলেছিলেন, ভারতের প্রদেশগুলি শক্তিশালী হলেই পূর্ববঙ্গের হিন্দুরা নির্বিঘ্নে বাস করতে পারবে। ব্যবচ্ছেদ কথাটিতে ভীত হইয়া মূর্ছা যাওয়া আমাদের উচিত নয়। শ্যামাপ্রসাদের কথা মেলেনি। ’৭১ সাল পর্যন্ত হিসেব করলে প্রায় ৮০ লক্ষ হিন্দু উদ্বাস্তু হিসেবে এ রাজ্যে আসে। তারা অনেকে সরকারি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়, বাকিরা যায় জবরদখল কলোনিতে। নিদারুণ দারিদ্র, কাজের অভাব, পরস্পরের ঝগড়া, মারামারি ইত্যাদি হয়ে ওঠে এদের নিত্যসঙ্গী। বস্তুত, ধর্মের ভিত্তিতে রাতারাতি এমন একটা বিভাজনের পরিণাম এরকমই হওয়া অনিবার্য ছিল। অন্যদিকে শ্যামাপ্রসাদ সগর্বে বলেন, ‘ভারত ভাগ করেছে কংগ্রেস আর বাংলা ভাগ করেছি আমি।’ একথা ঠিকই পশ্চিমবঙ্গের রূপকার হিসেবে আংশিক কৃতিত্ব বা দোষারোপ তারও প্রাপ্য। আর. এস. এস.-এর হিন্দু রাষ্ট্র তৈরির পরিকল্পনাকে অর্ধেক এগিয়ে দিয়ে গেছেন শ্যামাপ্রসাদ। বিজেপি’র ইচ্ছা, বাকি কাজটা তারা সম্পূর্ণ করবে। তাই জন্যেই তিনি বিজেপি’র কাছে গুরুপ্রতীম। লেখক : সাংবাদিক ও ইতিহাস বিষয়ক লেখক, পশ্চিমবঙ্গ

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..