মাটি ও প্রান্তিক জীবনের কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
মামুন সরকার

বাংলা কথাসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরবর্তী যুগে যে কয়েকজন সাহিত্যিক নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য ও ঔজ্জ্বল্যে ভাস্বর হয়ে উঠেছিলেন, তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কেবল একজন সাধারণ ঔপন্যাসিক বা ছোটগল্পকার নন; তিনি ছিলেন সমাজ এবং রূপান্তরশীল গ্রামীণ জীবনধারার কালজয়ী দলিলদার।
রাঢ় অঞ্চলের লাল মাটি, অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুখ-দুঃখ, সামন্ততন্ত্রের পতন এবং উদীয়মান আধুনিকতার অভিঘাত- এই সবকিছুকে তিনি মহাকাব্যিক বিস্তারে তাঁর সাহিত্যে ফুটিয়ে তুলেছেন।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক বনেদি জমিদার..
বিস্তারিত
সাহিত্যশিল্পকলার চালিকাশক্তি
লুৎফর রহমান

আমাদের বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে ৩০ লক্ষ মানুষের এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা। এখানে সর্বাধিক অংশগ্রহণ ছিলো মেহনতি মানুষের। সাধারণত তাদের স্বপ্ন ছিলো রাষ্টক্ষমতা থাকবে তাদের হাতে। কিন্তু নেই, এর দখল নিয়েছে লুটেরা ধনিকগোষ্ঠী। এখন শিল্পকলা ও সাহিত্য দখলে আছে তাদের। সত্যকে আড়াল করাই শাসকগোষ্ঠীর উদ্দেশ্য। কিন্তু একদিন রাষ্টক্ষমতা দখল করবে শ্রমজীবী জনগণ। সাহিত্য ও শিল্পকলার দখল নেবে তারা। সেদিন শিল্পকলা ও সাহিত্যের হবে নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ। সেটা হবে শোষণহীন সমাজবাস্তবতার নিরিখে। শ্রমজীবী..
বিস্তারিত
মানচিত্রের নিলাম ও আমাদের হাড়ের ঘরবাড়ি
মোস্তফা নুরুল আমিন

নকশাকারদের টেবিলে এখন রাত্রিকালীন মেলা বসেছে,
সেখানে বেচাকেনা হয় ঘামের ঘ্রাণ, নদীর শরীর।
যারা ভাবছে এই পলিমাটি কোনো পৈতৃক ডায়েরির পাতা-
যাতে যখন খুশি লিখে দেওয়া যায় দাসত্বের শর্ত,
তাদের আঙুলে আজ আমরা ছুঁইয়ে দেবো ত্রিশ লাখ নক্ষত্রের আগুন।
এখানে কোনো শকুনের ছায়া দীর্ঘ হতে দেওয়া হবে না,
যারা সুদূর সমুদ্রের ওপার থেকে উড়ে আসা দস্যুর থাবায়
তুলে দিতে চায় আমাদের মায়ের আঁচল;
যারা তোয়াজ করে, যারা বেইমানির মলাটে মোড়ায় স্বদেশ,
তাদের ধমনীতে এ দেশের নদীর কোনো স্রোত নেই।
তারা চেনে শুধু ডলারের ধারালো..
বিস্তারিত