সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করে সৌহার্দ্যের বাংলাদেশএকতা প্রতিবেদক :
উগ্রবাদী ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণ মোকাবিলা করে সত্যিকারের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকগণ এবং রাজনৈতিক নেতারা।
গত ৬ জুলাই বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা ভবনের কনফারেন্স রুমে “সৌহার্দ্যরে বাংলাদেশ”-এর আয়োজনে ‘আক্রান্ত ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এবং সঞ্চালনা করেন হাসান শাহ সুরেশ্বরী দিপু নূরী।
বৈঠকে দেশের বিভিন্ন আক্রান্ত ও নির্যাতিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকরা, রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় অংশ নেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফী রতন, জাকের পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মো. ইব্রাহিম মীর, বাংলাদেশ সনাতনী পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুমন কুমার রায়, হেযবুত তাওহীদ-এর ইমাম হোসাইন মো. সেলিম, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন, আশেকানে আওলিয়া ঐক্য পরিষদের মহাসচিব আল্লামা হানিফ নূরী, বাউল শিল্পী আবুল সরকার, বিশ্ব সুফী সংস্থার উচ্চ পরিষদের সদস্য বেনজিন নূরী সুরেশ্বরী ও আনোয়ার আহমেদ শিবলী, ইউপিডিএফ-এর নেতা অমল ত্রিপুরা, বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য আলী রেজা পাহলেভি রয়েল হায়দারী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম চিশতি, এনপিএ-এর কেন্দ্রীয় নেতা অনিক রায়, সুফীবাদ সার্বজনীন ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম চিশতি, ভাবনগরের প্রতিষ্ঠাতা সাইমন জাকারিয়া, বিশ্ব সুফী ঐক্য পরিষদ-এর মো. বেলাল নূরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা ঋতু, কবি সৈয়দ তারিক এবং দরগা মাজার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি সৈয়দ আমিনুল এহসান ফেরদৌস।
সভার শুরুতেই লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লেখক ও সাংবাদিক মাহাথির মুহাম্মদ।
সভায় বক্তারা ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ ও সামাজিক অবস্থানের ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে সমস্ত আক্রান্ত মানুষের মিলিত প্রতিরোধ ও অবস্থানের দ্বারাই সকল প্রকার উগ্রবাদী ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণ মোকাবিলা করে সত্যিকারের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব।