পাহাড়ে খুন ধর্ষণ ও নিপীড়ন বন্ধ কর

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : খাগড়াছড়ির গুইমারায় পাহাড়ি তরুনীকে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণে’ জড়িতদের দ্রুত তম সময়ে গ্রেফতার, আদিবাসীদেও বাড়িঘরে আগুন ও নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা এবং আদিবাসীদের মধ্যে ভয় আতঙ্ক, পাহাড়ে অশান্তি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আদিবাসী ইউনিয়নের সভাপতি রেবেকা সরেন ও সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত মাহাতো। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দেওয়া বিবৃতিতে তারা বলেন, খাগড়াছড়িতে অষ্টম শ্রেণীর জুম্মছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে অভিযোগ জানিয়ে করা প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইন শৃংখলা বাহিনী গুলি করে তিনজনকে হত্যা করেছে। পাহাড়ি আদিবাসীদের গুলি করে হত্যা প্রমান করে পাহাড়ে নারী ও আদিবাসীরা নিরাপদ নয়। পিতা কন্যার নিরাপত্তা চেয়েছেন, ধর্ষণকারীদের বিচার চেয়েছেন, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করেছেন। সেখানে উল্টো প্রতিবাদকারীদেরই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দোকান ও ঘর বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। যেখানে সারাদেশের মানুষ প্রতিবাদ করছে তখন সরকার কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটা প্রতীয়মান হয় যে, সরকারের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে হত্যা ধর্ষন অগ্নিসংযোগ করছে যাতে করে আদিবাসীদের মধ্যে আতংক ভয় বিরাজ করে, এটা আদিবাসী নিধনের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। নেতৃবৃন্দ বলেন, জুম্ম জনগণের পাহাড়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার অধিকার রয়েছে। আদিবাসী প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন না করে যখন চুক্তির বরখেলাপ করা হয় তখন রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে পড়ে। সরকার পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহারের অঙ্গীকার করলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রামে যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং জনমনে বিশেষ করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতার বোধ তৈরি হয়েছে সেটা প্রশমনের দায়িত্বসরকারের। সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে জনজীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনার, বলেছেন তারা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..