জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা:
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সিপিবির সভাপতি সাজিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, সিপিবির সাবেক জেলা সভাপতি সৈয়দ মো. জামাল, জেলা সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম স্বপন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আসমা খানম, উদীচী জেলা সহ-সভাপতি শাহজাহান সোহেল, জেলা সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস রহমান, উদীচী জেলা সদস্য মাশরেকি শিপার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চরম সংকটে জনমনে নাভিশ্বাস। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য কমলেও বাংলাদেশে বাড়ছে। রাত বারোটায় তেলের মূল্যবৃদ্ধি জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে। অতিদ্রুত তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনার দাবি জানান সিপিবি নেতারা।
এদিকে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিএনপির কর্মী পরিচয়দানকারী কয়েকজন কমিউনিস্ট পার্টি ব্যানার নিয়ে টানাটানি শুরু করে। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সমাবেশের সভাপতি দ্রুত সভার কাজ শেষ করেন।
বগুড়া
ডেঙ্গু ও হামে মৃত্যু রোধে সরকার ব্যর্থ বলে দাবি করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বগুড়া জেলা কমিটির নেতারা। গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বগুড়ার উদ্যোগে সাতমাথায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জোটের বগুড়া জেলা সমন্বয়ক সাইফুজ্জানান টুটুল।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জেলার নেতা বাসদ জেলার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম পল্টু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি জেলা সভাপতি আমিনুল ফরিদ, বাসদ জেলা সদস্য সচিব দিলরুবা নূরী, কমিউনিস্ট পার্টি জেলা সদস্য শুভ সংকর গুহ বাবন।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ডেঙ্গু এখন আর শুধু ঢাকায় নয় সারাদেশে ছড়িয়ে গিয়েছে। বগুড়াতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এডিস মশা নিধন এবং গণসচেতনতা তৈরিতে কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। ডেঙ্গু ও হাম রোগীর জন্য মোহম্মদ আলী হাসপাতাল ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে কোনো পৃথক কোনো বিভাগ নাই। এই রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য সরকারকে যথাযথ বরাদ্দ ও উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকারের অবহেলায় এবং যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়ায় এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ হামে মৃত্যুবরণ করেছে। ডেঙ্গুতে ২০০ জনের অধিক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। এই মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে। অবিলম্বে নেতৃবৃন্দ এই মৃত্যু রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং চিকিৎসার যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন