প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোক

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক : বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সিপিবি। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)র সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন গত ১ জুন এক বিবৃতিতে তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, নব্বই-এর স্বৈরাচার বিরোধী লড়াই ও দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিবৃতিতে সিপিবি নেতৃবৃন্দ তোফায়েল আহমেদের শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উদীচীর শোক ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। এক শোক বার্তায় উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, তোফায়েল আহমেদ-এর প্রয়াণে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। শোক বার্তায় উদীচীর নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই ১ জুন দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..