নব্যনাৎসী ডোনাল্ড ট্রাম্প

আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৭ সালে প্রণীত একটি মার্কিন ফেডারেল আইন আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (ওঊঊচঅ), যা রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে। আইনটি সাধারণত বৈদেশিক হুমকি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবেলায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ট্রাম্প একটি জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, যা তিনি “মুক্তি দিবস” (লিবারেশান ডে) হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের ওপর ৩৭%, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬%, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯%, ভারতের ওপর ২৬%, চীনের ওপর ১৪৫% বর্ধিত শুল্ক আরোপ করা হয়। ৯ এপ্রিল, ২০২৫ থেকে ৫৭টি দেশ ও অঞ্চলের উপর উচ্চতর শুল্ক কার্যকর করার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (টঝঞজ) জানায় যে এই নীতির লক্ষ্য ছিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি শূন্যে নামিয়ে আনা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটের রায়ে ঘোষণা করে যে ওঊঊচঅ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রদান করে না। ফলে ওই আইনের অধীনে আরোপিত শুল্কসমূহকে অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবং বিষয়টি মার্কিন বাণিজ্য নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। তার মানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপর বর্ধিত শুল্ক চাপিয়ে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের আইনে অবৈধ ছিল। আধিপত্যবাদী শক্তি বলে ট্রাম্প এটা চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র বা ট্রাম্প কেন শুল্কযুদ্ধ শুরু করল? ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল মূল্যস্ফীতি কমানো, কর হ্রাস করা, বিদেশে উৎপাদন না রেখে আমেরিকাকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উৎপাদনমুখী পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে মার্কিন বাজারে বিদেশি পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক (ঞধৎরভভ) আরোপ করা। নির্বাচনি প্রচারণাকালে ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’, ‘হোয়াইট সুপ্রিমেসি’, ‘ডলার সুপ্রিমেসি’ স্লোগানের আড়ালে মার্কিনিদের সারা পৃথিবীতে আধিপত্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখায় ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিনিদের বৈশ্বিক ঋণের পরিমাণ ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। পৃথিবীর ২০০টি দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য রয়েছে। বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার। বৈশ্বিক সেবা বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ২৯৫ বিলিয়ন ডলার। চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি ২০২ বিলিয়ন ডলার (আমদানি ৩০৮ বিলিয়ন ডলার- রপ্তানি ১০৬ বিলিয়ন ডলার)। কানাডা ও মেক্সিকোর সাথেও বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে ৮.৬ বিলিয়ন ডলার, আমদানি করে ২.২ বিলিয়ন ডলার, আমেরিকার ঘাটতি ৬.৪ বিলিয়ন ডলার। চীন ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বের বৃহত্তম পণ্য রপ্তানিকারক দেশ। আমেরিকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্পোৎপাদনকারী দেশে নেমে এসেছে। বৈশ্বিক শিল্পোৎপাদনে তাদের অবদান প্রায় ১৬-১৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে চীনের রপ্তানি ৩.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ১৩ থেকে ১৫ মে, ২০২৬ বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে এক শীর্ষ বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘পতনশীল দেশ’ বা ক্ষয়িষ্ণু শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সংকটের একটা বহিঃপ্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সংকটটা হচ্ছে— তারা ১) বিশ্বায়নের নামে, ২) নব্য উদারনৈতিক অর্থনৈতিক নীতির নামে সারা পৃথিবীর সকল গরিব দেশ বা প্রান্তস্থ পুঁজিবাদী দেশগুলোতে বহুজাতিক পুঁজি প্রবেশ করিয়েছে। সেজন্য বিশ্ব ব্যাংক-আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের মাধ্যমে বহু ধরনের সংস্কার করেছে। তারা স্ট্রাকচারাল অ্যাডজাস্টমেন্ট প্রোগ্রাম ইত্যাদির মধ্য দিয়ে অনেক ধরনের সংস্কার করেছে যাতে ফরেন ইনভেস্টমেন্ট মানে বহুজাতিক পুঁজি ঢুকতে পারে। এবং সেটা করতে গিয়ে আখেরে তাদের ক্ষতি হয়েছে। পুঁজি রপ্তানির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় কোম্পানি অধিকতর মুনাফার আশায় চলে গেছে অন্য দেশে। চলে যাওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে শিল্পায়ন কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টি একটা বড় ধরনের ক্রাইসিসের মধ্যে পড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের বৃহত্তম পণ্য আমদানিকারক দেশ; ম্যানুফ্যাকচারিং পণ্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। ২০২৫ সালে বিশ্ব থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট পণ্য আমদানির পরিমাণ ছিল ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলার। নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের প্রধান ইস্যু ছিল যে, সে সবাইকে ফেরত নিয়ে আসবে। ট্রাম্প এটাও জানত যে, তাদের ফেরত আনা সম্ভব নয়। কারণ বহুজাতিক কোম্পানির স্বার্থ ফেরত আসা না, তাদের লক্ষ্য হলো মুনাফা সর্বাধিকীকরণ করা, আরও বেশি মুনাফা করা। এই অর্থনৈতিক সংকট থেকে বের হতে রাজস্ব আয় বাড়ানো দরকার। আয় বাড়াতে গিয়ে তাই শুল্ক আরোপ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথিবীব্যাপী ‘শুল্কযুদ্ধ’ শুরু করেছে। এটা পুঁজিবাদীদের তথাকথিত মুক্তবাজার অর্থনীতির বিপরীত। বাজার অর্থনীতির নীতিমালা অগ্রাহ্য করে, ডব্লিউটিওর নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক পার্টনারের ওপর নিজের ইচ্ছা মত শুল্ক চাপিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনেরও বিরোধী। ডঞঙ–র মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) নীতি অনুসারে কোন একটি দেশ দুই দেশ থেকে আমদানিকৃত একই পণ্যের উপর একই শুল্ক আরোপ করবে। দুই দেশের জন্য দুই ধরনের শুল্ক আরোপ করতে পারবে না। তার ফলে এই পুরা জিনিসটাই হচ্ছে বিভিন্ন দেশকে সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক কর্তৃত্বের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য, নিজেদের অস্তিত্বের যে সংকট, সেই সংকট থেকে বাঁচার জন্য গৃহীত বেপরোয়া নীতি। ভারতের নতুন দিল্লিতে ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্র ২০২৬’-এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্কনীতির বিষয়ে একটি দৃঢ় অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রে মূলত একতরফা শুল্ক আরোপ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। শুল্ক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে ব্রিকস নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রে কোনো দেশের নাম না উল্লেখ করে বলা হয়েছে- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডঞঙ)-র নিয়ম লঙ্ঘন করে বিভিন্ন দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একতরফা শুল্ক এবং অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক বাণিজ্যকে বিকৃত করে। জোটের নেতারা একটি উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম বহির্ভূত যে কোন শুল্ক আরোপের প্রবণতা বন্ধের আহ্বান জানান। ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, যথেচ্ছ শুল্ক বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষার অজুহাতে গৃহীত সংরক্ষণবাদী নীতিগুলো বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনকে ব্যাহত করছে, আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যুদ্ধবাজ ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান, ভেনিজুয়েলা ও কিউবা সম্পর্কে যে মন্তব্যগুলো করেছেন- ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হওয়া থেকে আটকাতে এবং হুমকি মোকাবিলায় সামরিক পদক্ষেপ ও প্রায় ৭ মাসের যুদ্ধকে তিনি জোরালোভাবে সমর্থন করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানকে বড় কোনো সমঝোতায় আসতে হবে অথবা ইসলামপন্থি প্রজাতন্ত্রটিকে দ্রুত ‘নিশ্চিহ্ন’ বা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। জাতিসংঘের বক্তব্যে ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারসহ দেশটির বিরুদ্ধে তাঁর প্রশাসনের সামরিক অভিযানগুলোর কৃতিত্ব দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনিজুয়েলার সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ৬০ শতাংশের বেশি তেল রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ট্রাম্প কিউবাকে একটি ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশটিকে অচিরেই পতন বা পরিবর্তনের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ নিয়ে দাবি করেন যে তিনি গাজার যুদ্ধ অবসান করতে এবং বাকি সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছেন। তিনি তার গাজা শান্তি পরিকল্পনা ও কূটনীতিকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন এবং দাবি করেন যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও বাণিজ্য নীতির মাধ্যমে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইমার্জিং টেকনো ফ্যাসিস্ট জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (এআই) নামটির সমালোচনা করে একে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ (ঝঁঢ়বৎ ওহঃবষষরমবহপব বা ঝও) বলার প্রস্তাব দেন এবং মার্কিন নথিপত্রে এটি পরিবর্তনের কথা বলেন। তিনি এআই নিয়ন্ত্রণের যেকোনো বৈশ্বিক বা আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, তার প্রশাসন এআইয়ের বিকাশ বা প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করবে না, বরং এটিকে উৎসাহিত করবে। এআই মানবজাতিকে ধ্বংস করে দেবে— এমন সতর্কবার্তাকে তিনি উড়িয়ে দেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে মাইক্রোসফটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস সম্প্রতি এনবিসি নিউজের সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এআই এতই শক্তিশালী যে এটি ১০০ কোটি (এক বিলিয়ন) মানুষের প্রাণহানীর কারণ হতে পারে। চলতি বছরেই মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করেছে। দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সারা পৃথিবীতে আধিপত্য বিস্তারের জন্য যুদ্ধোন্মাদনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। সেটা সামরিক হমালা হোক অথবা শুল্কযুদ্ধ হোক। ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ এই ফ্যাসিবাদী স্লোগানের আড়ালে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মত বাজার দখলের জন্য আরেকটা বিশ্বযুদ্ধ লাগানোর পাঁয়তারা করছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রায় দুই কোটি লোক মারা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসী হিটলারের পাগলামির জন্য আট কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। নব্যনাৎসী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে পৃথিবী আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশংকায় রয়েছ। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হলে বিল গেটসের কথাই সত্য হবে। এআই নিয়ন্ত্রণ করে নব্যনাৎসী, টেকনো ফ্যাসিস্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথিবীকে সেই নিষ্ঠুর পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সারা পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্মাদ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রতিহত করতে হবে। প্রতিরোধ করতে হবে। লেখক : সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, সিপিবি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..