‘মন্ত্রী কহেন’
একতা প্রতিবেদক :
সারাদেশ এখন উত্তাল ‘সৎ লোকের সৎ দলের’ ব্যাংক নিয়ে। সেই ব্যাংক থেকে সৎ লোকেরা হাজার হাজার কোটি টাকা ভোটের মাঠে খরচ করেছেন। আর এটা এতদিন পর ধরতে পেরেছে সরকার। একটা ব্যাংকের টাকা যে এভাবে নির্বাচনের মাঠে চলে গেছে সেটা বুঝতেও সরকারের ১০০ দিন পার হতে হল।
এই ‘সৎ লোকেরা’ একসময় সরকারে যারা ক্ষমতায় আছে তাদের সঙ্গেই ছিলেন। তখন অবশ্য অনেকই তাদের যুদ্ধাপরাধকে ‘সততা’ দিয়ে ঢেকে রাখতেন। আজ অবশ্য পরিস্থিতি ভিন্ন।
এ কারণেই হয়ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে তার পুরনো মিত্রদের নিয়ে সংসদের কথা বলতে হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেছেন, আরডিএস নামে ইসলামী ব্যাংকের একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আছে যার মূল লক্ষ্য ৫, ১০ কিংবা ২০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া, এতে নারী গ্রাহকের সংখ্যাই বেশি।
ভোটের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে দেওয়া হয়েছে। এক ভোটারকে জিজ্ঞেস করেছে আমার এক কর্মী, মা আপনি কোথায় ভোট দেবেন। তিনি বলছেন, “বাবা কোরআনের দলকে ভোট না দিলে তো জান্নাতে যাওয়া যাবে না। ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে, বলেছে এটা মাফ হয়ে যাবে। আরও ১০ হাজার টাকা পাব।’
তিনি বলেন, এভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়ার নিশ্চয়তাও দিয়েছে। এই আরডিএস প্রকল্পের মধ্যে ২২ হাজার কোটি টাকা ডিস্ট্রিবিউট হয়েছে। ১১ হাজার কোটি টাকা আগে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর কোনো হদিস নাই।
এ ছাড়া নাবিল গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে।
তিনি জানান, ব্যাংকটিতে কোনো আইন না মেনে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৬ হাজার নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এবং ১৩ হাজার কর্মীকে অনিয়মিতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
প্রথম পাতা
বাজেটের আকার ও তার শ্রেণি চরিত্র
গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্টের প্রাথমিক বাজেট প্রতিক্রিয়া
সিপিবির পথ পরিক্রমণের তথ্য-কণিকা
প্রস্তাবিত বাজেট বৃহৎ শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ
বিশ্বকাপে বিশ্ব কোথায়?
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবে দাসত্বের ও দেশ বিক্রির গোলামি চুক্তি
লড়াই-সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান
বড় ফাঁপা বাজেট : জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে বৈষম্য বাড়বে
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন