বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির যাঁতাকলে জনগণকে পিষ্ট করবেন না

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : জ্বালানি তেল ও সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পর নতুন করে বিদ্যুতের পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ। পরিষদের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফি রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদ (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুনুর রশীদ গত ২২ মে ২০২৬ সংবাদপত্রে দেওয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ালে এর নেতিবাচক প্রভাব শিল্প-কৃষিসহ সকল ক্ষেত্রে পড়বে। সকল নিত্য পণ্যের দাম বাড়বে। মূল্যস্ফীতির চাপে এমনিতেই মানুষের জীবন দুর্বিসহ, বিদ্যুতের দাম বাড়ালে জনগণ চিড়েচ্যাপ্টা হয়ে যাবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ১৯ ও ২০ মে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গণশুনানীর নামে নাটক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দাম বাড়াতে চাইছে। অথচ গণশুনানীতে সকল ভোক্তা প্রতিনিধিরা দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যুৎখাতসহ এনার্জি বিশেষজ্ঞদের মত হলো রেন্টাল-কুইকরেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া বন্ধ করলে এবং সিস্টেম লস এর নামে চুরি দুর্নীতি বন্ধ করলে দাম বাড়ানো নয়, কমানো সম্ভব। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ দাম বৃদ্ধি নয়, কমানোর জন্য গণশুনানী করার জন্য এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের আইন পরিবর্তনের দাবি জানান। একই সাথে বলেন, কমিশনের দায়িত্ব ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, কোম্পানিগুলোর মুনাফার স্বার্থ দেখা নয়। দাম বৃদ্ধি নয়, লুটপাট ও জনগণের পকেট কাটা বন্ধ করার দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..