সুমুদ ফ্লোটিলার অধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা

অবিলম্বে মুক্তি দাবি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক : গাজা অভিমুখি ত্রাণবাহী ৪২টি জাহাজের বহর সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরাইলী প্রতিরক্ষা বাহিনীর হামলা এবং জাহাজসমূহে অবস্থানকারী মানবাধিকার কর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ প্রায় ৫শত মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেপ্তার, হয়রানির প্রতিবাদ, তাদের মুক্তি এবং গাজায় গণহত্যা বন্ধ করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের দাবিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর, দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক আহসান হাবিব বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের সদস্য সচিব সিকান্দার আলী মিনা, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাকিল আক্তার চৌধুরী, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ হোসেন, জাতীয় শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সঙ্ঘের যুগ্ম সম্পাদক প্রকাশ দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অর্থ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট এর তৈয়বুর রহমান, আওয়াজ ফাউন্ডেশনের খাদিজা আক্তার প্রমুখ। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, গাজায় প্রায় দুই বছরের অধিককাল ধরে ইসরাইল যে গণহত্যা চালাচ্ছে, বুলেট-বোমার পাশাপাশি অনাহার আর মহামারিকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে জাতীগত নিধন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, তার প্রেক্ষিতে দর্শন, শ্রবণ প্রতিবন্ধি আর অমানবিক স্বার্থপর ছাড়া কোনো সভ্য মানুষের পক্ষে চুপ থাকা সম্ভব নয়। মানবিকতার সেই যন্ত্রণা থেকেই সুইডিস মানবাধিকার কর্মী গ্রেটা থুনবার্গের নেতৃত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার কর্মীরা ৪২টি ছোট ছোট জাহাজে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধ আর শিশু খাদ্য নিয়ে গাজার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু ইসরাইল সরকার তার প্রতিরক্ষা বাহিনী দিয়ে নিরস্ত্র ত্রাণবাহী জাহাজগুলিতে আন্তর্জাতিক জলসীমাতেই আক্রমণ চালিয়েছে। জাহাজে অবস্থানকারী মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরেও ফিলিস্থিনি রাষ্ট্রের গাজায় যুদ্ধের নামে লক্ষাধিক মানুষ হত্যা করা, কয়েক লক্ষ মানুষকে পঙ্গু করে দেওয়ার ইসরাইলি বর্বরতাকে সমর্থন করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণহত্যার মত বর্বরতার সমার্থক কোন রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক এবং মানবিকতার পক্ষের রাষ্ট্র হিসাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা। বর্বর ইসরাইলের পাশাপাশি তার সমার্থক রাষ্ট্র্রের প্রতিও সারা বিশ্বের মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষের মধ্যে ঘৃণা এবং বিদ্বেষ তৈরি হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ, কলম্বিয়া সরকারের প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকারকেও ইসরাইলি বর্বরতা রোধে কঠোর অবস্থান প্রকাশ করতে হবে। নেতৃবৃন্দ, সুমুদ ফ্লোটিলার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন এবং গ্রেপ্তারকৃত মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তি দিয়ে তাদের গাজায় পৌঁছাতে বাধা দূর করা, ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করে গাজার মানুষদের হাতে তাদের শাসন ফিরিয়ে দেওয়া, গণহত্যার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানান।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..