চিকিৎসায় চীনের যুগান্তকারী সাফল্য

Posted: 11 অক্টোবর, 2026

একতা বিদেশ ডেস্ক : কাটাছেঁড়া না করেই মায়ের গর্ভে এক শিশুর বুকের মারাত্মক টিউমার সংকুচিত করতে সক্ষম হয়েছেন চীনের একদল চিকিৎসক। এ যুগান্তকারী চিকিৎসাপদ্ধতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা আগামী দিনে হাজারো শিশুর প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখবে। গর্ভস্থ শিশুটি ফুসফুসের একটি জন্মগত ও জিনগত ত্রুটিতে ভুগছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিপিএএম’ (সিপাম)। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার গর্ভধারণের মধ্যে এমন ঘটনা মাত্র একটিতে দেখা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি বা টিউমার মারাত্মক রূপ নেয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিউমারটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত বড় হয়ে ওঠে। ফলে শিশুটির হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গর্ভেই শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি বা টিউমার মারাত্মক রূপ নেয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিউমারটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত বড় হয়ে ওঠে। ফলে শিশুটির হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গর্ভেই শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো আদর্শ চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে টিউমার ছোট করার উদ্দেশ্যে গর্ভবতী মাকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। আবার বিরল কিছু ক্ষেত্রে যখন এ টিউমারে তরল পদার্থে ভরা বড় সিস্ট বা থলি তৈরি হয়, তখন চিকিৎসকেরা মায়ের পেট ও জরায়ুর ভেতর দিয়ে সুই ফুটিয়ে একটি ড্রেনেজ টিউব বা নল যুক্ত করেন। এ নলের মাধ্যমে সিস্টের তরল বাইরে বের করে দেওয়া হয়। তবে যেসব ক্ষেত্রে এ নল ব্যবহার করা হয়, তাদের এক বড় অংশে সময়ের আগে শিশুর জন্ম নেওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর বাইরে ‘ফিটাল লোবেক্টমি’ নামের আরেকটি পদ্ধতি রয়েছে।