বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে না দেওয়ার নিন্দা
Posted: 03 মে, 2026
একতা প্রতিবেদক :
জাতীয় সংসদের অধিবেশনের পয়েন্ট অব অর্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত অসম বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে না দেওয়ায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের নেতৃবৃন্দ।
এ চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনার প্রস্তাব করলে বিধির অজুহাতে তাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি।
গত ২৯ এপ্রিল সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদে অনেক অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট ও অর্থের অপচয় করা হচ্ছে। অথচ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হচ্ছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিবৃতিতে দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকী স্বরূপ এই বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আলোচনা জন্য উত্থাপন করার জোর দাবি জানানো হয় এবং জাতীয় স্বার্থ বিরোধী অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিলে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকার ও জাতীয় সংসদের সকল সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার একটি অনির্বাচিত সরকার। তার এ ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি করার কোন এখতিয়ার নাই। তাছাড়া মার্কিন ফেডারেল কোর্ট পাল্টা শুল্ক আরোপ করা অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে, যার সূত্র ধরে মালয়েশিয়া চুক্তি বাতিল করেছে; ভারত স্থগিত করেছে। ফলে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার ও সংসদ এই বাণিজ্য চুক্তি বাতিলে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধ বিরোধী জোটের কেন্দ্রীয় নেতা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদ (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসিরউদ্দীন নাসু, সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, বাংলাদেশের সোশ্যালিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী।