এক মহান বিপ্লবীর গল্প

Posted: 20 আগস্ট, 2017

মনির তালুকদার : ফেদেরিকা গারসিয়া লোরকা এক ক্ষণজন্মা কবি, নাট্যকার ও বিপ্লবী। বিশ্ব শিল্পাঙ্গনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন তাঁর অনন্য সাধারণ কবিতা ও নাটকের জন্য। সঙ্গীত ও চিত্রকলাতেও ছিল তাঁর বিপুল আগ্রহ। তিনি যখন কবিতা লিখেছেন, তখন তাঁর ভেতরে কাজ করেছে গানের সুর, ছবির রং। ফলে তাঁর কবিতা লাভ করেছে–গীতিময়তা ও চিত্রধর্মিতা। তাঁর কবিতা পাঠকের মনে ছবি হয়ে ভাসে, গান হয়ে বাজে। এমনকি তার গদ্য ও নাটকও অসাধারণভাবে কাব্যগুণসম্পন্ন ও সঙ্গীতঋদ্ধ। লিরিকই লোরকার শিল্পসত্তার মূলাধার, তাঁর সাহিত্য প্রতিভার কেন্দ্রীয় বল ও বিভা। শ্রুতিমধুর লিরিকপ্রভাবে ভেসে যায় জাগতিক ও পরাজাগতিক প্রাণ, গানে গানে ভরে ওঠে সমস্ত প্রকৃতি। লোরকাকে মান্য করা হয় বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্প্যানিশ কাব্য শিল্পী ও নাট্যশিল্পী হিসেবে। তিনি তুলনীয় আন্তোনিয়ো মাসাদো ও হুয়ান রামোন হিমেনেথের সঙ্গে, যারা স্প্যানিশ কবিতাকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। মহান মিগেল দে সেবান্তেসের মতো তাঁর নামও আজ প্রবাদে পরিণত। লোরকার জন্ম ১৮৯৮ সালের ৫ জুন স্পেনের গ্রানাদায় ফুয়েন্তে বাকেরোস নামের ছোট্ট একটি শহরে। তাঁর বাবা ছিলেন ভূস্বামী, উর্বর ভেগায় কৃষি খামারের মালিক, শহরের মাঝখানেই ছিল তাঁদের প্রাসাদপম বাড়ি। মা বিসেন্তা লোরকা রোমেরো ছিলেন শিক্ষিকা। ১৯০৫ সালে তাঁরা চলে আসেন বালদেরুরিয়ো শহরে। সেখান থেকে ১৯০৯ সালে গ্রানাদা শহরের উপকণ্ঠে উয়ের্তা দে সান বিসেন্তেয় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। লোরকার বয়স তখন ১১ বছর। যেসব জায়গায় লোরকা বসবাস করেছেন সর্বত্র পেয়েছেন অনিন্দ সুন্দর প্রকৃতির সান্নিধ্য। তাঁর শিল্পচিন্তা ও লেখালেখিতে এর গভীর প্রভাব পড়েছিল। লোরকার স্মৃতিধন্য ফুয়েন্তে বাকেরোস, বালুদেরুবিয়ো ও উয়ের্তা দে সান বিসেন্তের বাড়ি তিনটি এখনো সটান দাঁড়িয়ে আছে– জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়ে। লোরকার শরীরে ছিল মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সঙ্গীত জিন। পিয়ানোর ঝংকার শুনলেই তাঁর রক্ত টগবগ করে নেচে উঠত। তিনি পিয়ানোর ডাকে সাড়া না দিয়ে পারেননি। ১১ থেকে ১৬ এই ছয় বছর লোরকা পিয়ানো শেখেন আন্তোনিয়ো সেগুরা মেসা নামের এক সঙ্গীত শিক্ষকের কাছে। মেসা লে লোরকার মধ্যে সঙ্গীতজ্ঞ হওয়ার বাসনা জাগিয়ে তোলেন। গায়ে গানের হাওয়া লাগতেই লোরকা নিজেকে ভাসিয়ে দেন দেবুসি, শোপ্যাঁ আর বিটোফেনের অমৃতরসে। তাঁর বন্ধুত্ব হয় সুরকার মানুয়েল দে ফাইয়ার সঙ্গে। আর তখন থেকে স্প্যানীয় লোকগীতি হয়ে ওঠে তাঁর ধ্যানজ্ঞান। তাঁর কলম চিরে বেরিয়ে আসে চারুগদ্য, ‘নকটার্ন’, ‘বালাদ’ ও ‘সোনাটা’। তার ওপর আরোপ করা হয় সুর। গ্রানাদায় কাফে আলামেদাতে বসত শিল্পী সাহিত্যিকদের আড্ডা। সেখানে লোরকা নিয়মিত যোগ দিতেন। আসর মাতিয়ে তুলতেন তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত লিরিক ঝিলিকে। স্কুলশিক্ষা সমাপ্তির পর ১৯১৫ সালে লোরকা গ্রানাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আইন ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে। তাঁর মনে দোল দেয় ভ্রমণের ইচ্ছা। ১৯১৬-১৭ সালব্যাপী স্পেনের উত্তরে কাস্তিয়া, লেয়োন ও গালিথিয়া ঘুরে বেড়ান দন ফের্নান্দো দে লোস রিয়োস নামের এক অধ্যাপকের সঙ্গে। ওই অধ্যাপক তাঁকে লেখালেখিতে উৎসাহিত করেন। তার ফসল ভ্রমণবৃত্তান্ত ইমপ্রেসিয়োনেস ই পাইসাহেস বা মানচিত্র ও ভূদৃশ্যাবলি। এটাই তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই (১৯১৮)। এর প্রকাশনায় অর্থ জুগিয়েছেন তাঁর পিতা স্বয়ং। ১৯১৯ সালে লোরকা মাদ্রিদে চলে যান। সেখানে কাটিয়ে দেন পরবর্তী ১৫ বছর। তার নতুন স্থান রেসিদেনসিয়া দে এস্তুদিয়ান্তে। এর সুবাদে তিনি মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করতে থাকেন। এবার তাঁর পাঠ্য বিষয় আইন ও দর্শন। কিন্তু কিছুদিন পরেই হাঁপিয়ে ওঠেন। পাঠ্যক্রমভুক্ত বিধিবদ্ধ পাঠে তাঁর মন আর বসে না। বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে তিনি আত্মনিয়োগ করেন শিল্পচর্চায়। মগ্ন থাকেন অভিনয়, কবিতা পাঠ ও প্রাচীন লোকগীতি সংগ্রহে। এ সময় তিনি এল মালেফিসিয়ো দে লা মারিপোসা অথবা প্রজাপতির দুরভিসন্ধি নামে একটি নাটক লিখে ফেলেন। ১৯২০ সালে সেটি মঞ্চস্থ হলে বিশ্বে সাড়া পড়ে যায়। কারণ, নাটকটি ছিল প্রচলিত ঘরনার বাইরে। এটি রচিত হয়েছিল মূলত পোকামাকড়ের জীবন নিয়ে–অর্থাৎ একটি তেলাপোকা ও একটি প্রজাপতির মধ্যে প্রেম কাহিনী নিয়ে। পরের বছর প্রকাশিত হয় তাঁর লোক কাহিনী ভিত্তিক লিব্রো দে পোয়েমাস বা কবিতার বই। এক্ষেত্রে এসেছে ধর্মীয় বিশ্বাস, একাকিত্ব ও প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ। লোরকার ওপর ফ্লামেংকো ও জিপসি সংস্কৃতির প্রভূত প্রভাব পড়েছিল। এজন্যে তাঁদের কথা ঘুরে ফিরে এসেছে তাঁর লেখায়। ফ্লামেংকো সংস্কৃতির প্রসারে ১৯২২ সালে তিনি কান্তে হোন্দো বা ‘গভীর গান’ উৎসব আয়োজন করেন। স্পেনের বিখ্যাত ডিপ সং গায়ক ও পিয়ানোবাদকেরা এতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিশ শতকের তৃতীয় দশকের শুরুর দিকে যেসব কবিতা লিখেছেন, তাতে গভীর গানের আদল খুঁজে পাওয়া যাবে। লোরকা ‘সাতাশের প্রজন্ম’ নামে একটি আভাঁ শিল্পী সংঘে যোগ দেন। ওই সংঘে ছিলেন বিশ্বখ্যাত সালভাদর দালি এবং লুই বুনুয়েলের মতো জাঁদরেল শিল্পীরা, যাঁরা তাঁকে পরাবাস্তববাদ ও প্রতীকবাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ওই দুই শিল্পীর আশ্রয়ে তাঁর কবিতা হয়ে ওঠে আরো সুক্ষ্ম ও ব্যঞ্জনাময়, নান্দনিকতায় গূঢ়। ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কানসিয়োনেস বা গীতিমালা গ্রন্থ। ১৯২৮ সালে আলোর মুখ দেখে রোমান্সেরো হিানো বা জিপসি গাঁথাগ্রন্থ। এই বই তাঁকে খ্যাতির তুঙ্গে নিয়ে যায়। কবিতার পাশাপাশি চলে তাঁর নাট্যচর্চা। তাঁর দ্বিতীয় নাটক মারিয়ানা পিনেদা ১৯২৭ সালে বার্সোলোনায় মঞ্চস্থ হলে বিপুল প্রশংসা কুড়ায়। পরের নাটক লা সাপাতেরা প্রোদিহিয়োসা বা সুচির আশ্চর্য বিবি একটি প্রহসন। তাতে চিত্রিত নারীর প্রতি গোপন প্রণয় ও স্খলনের কাহিনী। লোরকা ১৯২৯ সালে নিউইয়র্কে পাড়ি জমান। ঘুরে বেড়ান হার্লেম ও ডের্মন্টে। তিনি কলাম্বিয়া স্কুল অব জেনারেল স্টাডিজে ভর্তি হন। বিষয় ইংরেজি। কিন্তু অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকেন লেখালেখি নিয়ে। কিছুদিন কিউবার হাভানাতেও কাটান। নিউইয়র্কে বসে তিনি যে কবিতাগুলো লেখেন, সেসব সংকলিত হয় পোয়েতা এন নুয়েডা ইয়র্ক বা নিউইয়র্কের কবিতা গ্রন্থে। বইটি অবশ্য প্রকাশিত হয়েছে তাঁর মৃত্যুর পর। এই গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলোতে নাগরিক যন্ত্রণা ও একাকিত্ববোধ তীব্র হয়ে ফুটে উঠেছে। নিউইয়র্ক কবিতায় তিনি লেখেন, ‘এক ফোঁটা হাঁসের রক্তের’ বহুগুণিতাংকের নিচটাতে....কোমল রক্তের এক নদী। যে নদী গান গেয়ে বয়ে চলে। মহল্লার যত শয্যাঘর একে একে পিছে ফেলে। পিছে ফেলে নিউইয়র্কের যত নকল ভোরের/ সিমেন্ট, বাতাস, টাকাকড়ি।’ তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন ওয়াল স্টিট ক্র্যাশ এবং এর ফলে উদ্ভূত অর্থনৈতিক মন্দা। এতে করে তাঁর মনে পুঁজিবাদের প্রতি ঘৃণার জন্ম নেয়। পরে ধীরে ধীরে তিনি সমাজতন্ত্রের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। ১৯৩০ সালে দ্বিতীয় স্প্যানিশ রিপাবলিক ঘোষিত হলে লোরকা দেশে ফিরে আসেন। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁকে নাট্য বিষয়ক সংস্থা বাররাকা’র পরিচালক পদে নিয়োগ দেন, যার কাজ সাধারণ জনগণের জন্যে নাটক প্রণয়ন ও প্রদর্শন। তিনি গ্রামেগঞ্জে গিয়ে বিনা মূল্যে নাটক দেখাতে থাকেন। নিজে নাটক পরিচালনা করেন এবং তাতে অভিনয় করেন। বাররাকার তত্ত্বাবধানে স্প্যানীয় ক্লাসিকগুলো দেখানো হয়; লোরকার নিজের নাটকগুলোও স্থান পায়, বিশেষ করে তাঁর ট্র্যাজেডিত্রয়-বোদাস দে সাংগ্রে বা রক্তবিবাহ, ইয়েরমা ও লা কাসা দে বেরনার্দা আলবা বা বেরনার্দা আলবার বাড়ি। কাব্যগুণে সমৃদ্ধ এই নাটকগুলোতে ধ্বনিত হয় বুর্জোয়া সমাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তিনি শ্রেণি, নারী ও যৌনতার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ট্যাবুশাসিত সমাজের মৌনতা ভেঙ্গে দেন এবং সাধন করেন এক সামাজিক বিপ্লব। তার শেষ কাব্যগ্রন্থ সোনেতোস দে আমোর অস্কুরো বা তাসসিক প্রেমের সনেট সমকামী ভালোবাসাকে ঘিরে নিষেধের বেড়াজাল চুরমার করে দেয়। ১৯৩৬ সালে স্পেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। লোরকা তখন তাঁর নিজ গৃহ কায়োহোনেস দে গারসিয়াতে অবস্থান করছিলেন। ফ্রাংকোর সৈন্যরা তাঁকে তুলে নিয়ে যায় এবং বন্দী করে রাখে। ১৯৩৬ সালের ১৯ আগস্ট ঘাতকেরা তাঁকে কবরস্থানে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তাঁর লাশ গুম করে ফেলা হয়। এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি তাঁর মৃতদেহের কী অবস্থা হয়েছিল। তার বই নিষিদ্ধ করা হয় ও পোড়ানো হয়। একজন মহান কবির এমন করুণ মৃত্যু এখনো বিশ্বে তাঁর অসংখ্য অনুরাগীকে বিষণ্ন করে তোলে। মৃত্যুর পরে তাঁর সৃষ্টিকর্ম বিনাশযজ্ঞ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মনকে বিষিয়ে তোলে। কেন হত্যা করা হয়েছিল কবিকে? কারণ, ক্ষমতাবান অপশক্তি ভয় পেয়েছিল তাঁর বৈপ্লবিক আদর্শকে, তাঁর হৃদয় থেকে উৎসারিত অগ্নিস্ফুলিঙ্গকে। লোরকার মৃত্যু ছিল সত্যিই হৃদয়বিদারক। অতি সুদর্শন প্রগতিবাদী প্রগলব প্রাণোচ্ছল সেই যুবকটি আর নেই- এ যেন এক দুঃস্বপ্নের বাস্তবতা। তাঁর মৃত্যু সংবাদে পাবলো নেরুদা অশ্রুভরা কণ্ঠে বলে ওঠেন, ‘স্পেনের সেরা ফুল ঝরে গেল।’ লোরকা কি তাঁর নিজের মৃত্যুর পূর্বাভাস পেয়েছিলেন? মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তিনি একটি কবিতায় লেখেন– আমি বুঝতে পারছি খুন করা হয়েছে আমাকে তারা কাফে, কবরখানা আর গির্জাগুলো তন্ন তন্ন করে খুঁজছে। তারা সমস্ত পিপে আর কাবার্ডগুলো তছনছ করেছে। তিনটি কংকালকে লুট করে খুলে নিয়ে গেছে সোনার দাঁত। আমাকে তারা খুঁজে পায়নি কখনো কি পায়নি তারা? লোরকার কবিতায় একদিকে পাওয়া যায় জিপসি গানের সুরসৌন্দর্য ও চিত্রল ইঙ্গিতময়তা, অন্যদিকে আরব শৈলীর ঐতিহ্য বিধুরতা ও পরাবাস্তবের স্বপ্নকুহেলিকা। কাতালান মেজাজে তিনি প্রতীকবাদী শিল্পীর নিপুণ দক্ষতায় অংকন করেন নিউইয়র্ক ও হাভানার জীবনচিত্র। একই মেজাজে আন্দালুসীয় কৃষক ও নারী জীবনকে নাট্যরূপ দেন। স্পেন ছাড়িয়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর কাব্যকীর্তি। ভ্রমরগুঞ্জনের মতো লিরিকধারা প্রবাহিত হয় হৃদয় থেকে হৃদয়ে। বিরল কাব্য ও নাট্য প্রতিভার অধিকারী লোরকা যাপন করেছেন প্রায় ৩৮ বছরের এক সৃষ্টিশীল কর্মময় জীবন। অপ্রত্যাশিত ঘাতকের বুলেট নিথর করেছে তাঁর দেহ- কিন্তু থামাতে পারেনি আগুনের পরশমণির সর্বত্রগামিতা। তার কবিতা বিজয়ী, আজও মানুষকে নাড়া দেয় বিপুল আনন্দবৈভবে। আজও পাঠক মুগ্ধচিত্তে আস্বাদন করে শিশিরের স্নিগ্ধতায় মাখা, কোমল চন্দ্রালোকে স্নাত, পাহাড়ের মৌনতায় সমাহিত তার স্পন্দিত পঙক্তিমালা। কবি লিখেছেন– ঘুম দেব আমি এক মুহূর্ত এক মুহূর্ত, একটি মিনিট, এক শতাব্দী কিন্তু সবাই জেনে রেখো আমি এখনো মরিনি। তথ্যসূত্র: লোরকার কবিতাগ্রন্থ (অনূদিত)- মিশির মিত্র। নিউইয়র্কে কবি (অনূদিত কাব্যগ্রন্থ)- দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। লোরকার কবিতাগ্রন্থ (অনূদিত)- কবিতা সিংহ। রক্ত ও অশ্রুর গাথা (অনূদিত)- সাজ্জাদ শরিফ। লোরকার শ্রেষ্ট কবিতা (অনূদিত)- অমিতাভ দাশগুপ্ত লেখক : রাজনীতিক ও কলামিস্ট