হেলিস না ভাই, দুলিস না-সোজা হয়ে দাঁড়া

আসলাম খান

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
শিশুসন্তানের লাশ নিয়ে মায়ের বুকফাটা আহাজারি। স্বজনদের সে কী ভীষণ আর্তনাদ। সময়মতো হামের টিকা না পেয়ে ইতোমধ্যে সারাদেশে সাড়ে চারশোর বেশি শিশুর প্রাণ অকালে ঝরে গেছে। এ মৃত্যু যুদ্ধ বা দুর্ভিক্ষের কারণে নয়–বরং ইউনূস সরকারের ব্যর্থতা আর দায়িত্বহীনতার কারণে। যদি তা-ই হয় তাহলে এর দায় কার? দায়ীদের বিচার কেন হচ্ছে না? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি একতরফা, ট্রাম্পের আদেশপত্রে দেশকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার চুক্তি এটি। এ নিয়ে বাংলাদেশ কি আদৌ উদ্বিগ্ন। সর্বনাশা এ চুক্তির পরিণাম কী হবে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা কি তা জানেন না? হাওরের ধানক্ষেত বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। কপালে হাত পড়েছে কৃষকের। বৈশ্বিক যুদ্ধে টালমাটাল অর্থনীতি। দাম বাড়ছে তেল-গ্যাসের। বাসা ভাড়া, বাস ভাড়া বাড়ছে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তারপরও দিব্যি চলছে দেশ, যেন এক অজানা আশঙ্কা সামনে নিয়ে। এ ভয়াবহ সংকট থেকে কারা বাঁচাবে প্রিয় বাংলাদেশকে? যারা ক্ষমতায় আছেন তারা কি এই বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সংসদীয় বিরোধীদল তো উঠতে-বসতে রাজপথ কাঁপায়। তারা এখন চুপ কেন, সুবোধ বালকের মতো শান্ত নীরব কেন? মনে পড়ে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় গৃহপালিত বিরোধীদলের নেতা আ স ম রবকে আমরা বলতাম ‘সময়ে নীরব, অসময়ে সরব’। এখনো ঠিক সেই অবস্থা। দেশের প্রতি ভালবাসা, দেশের জন্য যাদের মন কাঁদে এমন দেশপ্রেমিকরা কী করবেন। স্বাধীনতাবিরোধী, স্বাধীনতার চেতনাধারী, উগ্র মৌলবাদীরা দেশকে বাঁচাতে আসবে না। গোলামির চুক্তি মেনে নেয়া, প্রভুর মন রক্ষা করে ক্ষমতায় যাওয়া এবং থাকা–এ প্রতিযোগিতায় শক্তিসমূহ সমীকরণ মেলাচ্ছে। ইতিহাস বলে দেশপ্রেমিকেরা চুপ করে বসে থাকতে পারে না, তাদের শক্তি যত দুর্বলই হোক। ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম, টংক, তেভাগা আন্দোলন, পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের বিরুদ্ধেও লড়াই-সংগ্রাম হয়েছে। তাতে তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ছাড়াও পেশাজীবী প্রগতিশীল দলসমূহ কম শক্তি নিয়েও জনমত গড়ে বৃহত্তর বলয় তৈরির মাধ্যমে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পরনির্ভরর্শিলতা : চুক্তি নামের আদেশপত্র অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমাদের বাধ্যতামূলকভাবে বেশি দামে প্রায় বিনা শুল্কে আমদানি করতে হবে মাছ, মাংস, মুরগি, ডিম গরুসহ বিভিন্ন মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত কয়েকশ পণ্য। যেগুলো আমাদের দেশেই উৎপাদিত হয় এবং যার সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়িত। এগুলো পারিবারিক উদ্যোগ, যার মাধ্যমে গ্রামে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হয়ে থাকে। আবার তাদের দেশ থেকে আসা পণ্যের মান পরীক্ষা করা যাবে না। জেনেটিক্যাল মডিফায়েড খাদ্য নিয়ে কথা বলা যাবে না। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। খনিজ সম্পদ বিনিয়োগ অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাদের পক্ষে মেধাস্বত্ব কার্যকর করতে হবে। দীঘমেয়াদে এলএনজি ও গম আমদানি এবং অস্ত্র কিনতে হবে। অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করা যাবে না। অর্থাৎ এ চুক্তি বিশ্ব পরিসরে বাংলাদেশেকে একঘরে করে রাখবে। কৃষিশিল্প ধ্বংস করে দেশকে আমেরিকার ওপর নির্ভরশীলতায় পরিণত করবে। চারদিক থেকে চাপ সৃষ্টি করে দেশকে অসহায় কঙ্কালসারে পরিণত করবে। কুইক রেন্টালের নামে লুুটপাট, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় লুটেরাদের অবাধ লুটপাট দেশকে ভিক্ষুকের দেশে পরিণত করবে। ইতোমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের হতাশা বাড়ছে। শ্রমিক, কৃষক, ক্ষেতমজুর, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ, নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্তের জীবন চালাতে নাভিশ্বাস উঠছে। দিন দিন সংকট নানান মাত্রায় গভীর হয়ে উঠছে। ১৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের ২০% দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বাংলাদেশের মাথায় বিদেশি ঋণ ৭,৭২৮ কোটি মার্কিন ডলার। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব কি আছে? দেশের অভ্যন্তরে স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়ে আমেরিকার বিশ্বস্ত দালাল ইউনূস সরকারে অধিষ্ঠিত হয়। সেই সরকার সুশীল সমাজের নামে কুটিল সমাজের ষড়যন্ত্র আর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপরীতে দেশকে পাকিস্তান পন্থার দিকে নিয়ে গিয়েছে। আশাবাদের বদলে নিরাশা : গণঅভ্যুত্থানে কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান এবং ছাত্রজনতার সংগ্রামী জাগরণের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অঙ্কুরেই শেষ হয়েছে। দেশের রাজনীতি ও সমাজজীবনে দক্ষিণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির উত্থান, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য, লুটেরাদের হাতে ক্ষমতার পালাবদলে তরুণ প্রজন্ম আজ এক দিশাহীন হতাশার গভীরে নিমজ্জিত। এক পরিবারের হাত থেকে এখন অন্য এক পরিবারের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা। জুলাই চেতনার ব্যবসায়ী, জুলাই গাদ্দার এনসিপি আর জামায়াতের কাছে কোনো আশাবাদ নেই। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০’র গণঅভ্যুত্থান, গণতন্ত্র, ধর্মীয় সহনশীলতা, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার, ইতিহাস বাঙালির ঐতিহ্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে তারা তৎপর। প্রগতিবাদীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত, গুপ্ত, প্রগতির পথ থেকে সরে যাওয়া বিলুপ্ত আওয়ামী লীগ ফিরে আসার মনস্তাত্বিক ভূমি তৈরিতে হাঁটি হাঁটি পা পা করে বিলুপ্তরা নিঃশ্বাস নিচ্ছে। বিলুপ্তরা মনে করে আবার যদি ক্ষমতার ছিটেফোঁটা ভাগ পাওয়া যায়া। এদের স্বপ্ন আর নেই, দেশের মানুষের প্রতি আস্থা নেই। স্বপ্নহীন, আস্থাহীন কোমড়ভাঙারা সোজা হয়ে দাঁড়াতে ভুলে গেছে। এদের দিকে না তাকিয়ে নতুন স্বপ্ন, নতুন আশাবাদে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তির ওপর আস্থা রেখেই দেশকে পরনির্ভরশীলতা দক্ষিণপন্থার দিক থেকে ফিরিয়ে এনে স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ দরিদ্র মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে এক মহাজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে দেশপ্রেমের চেতনায়। হেলিস না ভাই, দুলিস না–সোজা হয়ে দাঁড়া : দ্বিধা-দ্বন্দ্ব হতাশা, কিছুই হবে না, নিজে বাঁচো, কিছুই তো হলো না, যা আছে তা মেনে নাও–এ মানসিকতার মানুষ ইতিহাস নির্মাণ করতে পারে না। তারা চোখে সাফল্য দেখে না, পুড়ে ইস্পাত কঠিন না হয়ে অঙ্গার হয়ে যায়। সংগ্রাম একটা চলমান প্রক্রিয়া, কখনো হারে কখনো জেতে–হয়তো তার জীবদ্দশায় দেখতে পায় না। মনস্তাত্বিক কারণে অনেকেই নিজের নির্দিষ্ট সময়েই ফলাফল চায়, কিন্তু দীর্ঘ সময় নেয় না পরিবর্তনের। আবার মানুষ যখন হতাশা ঝেড়ে আশাবাদ বুকে ধারণ করে সমষ্টিকে বিশ্বাস করে, লড়াইয়ের শিক্ষাকে আত্মস্থ করে তখন নিজেই মহান কীর্তি রচনা করে। ১৯৭১ সালে মানুষ উজ্জীবিত হয়েছিল। আবার ঝড়-ঝাপটা এসেছে। মোকাবিলা করে ৯০-এর সৃষ্টি করেছে। ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের বিরুদ্ধ যে বারুদ জ¦লছিল সেখানে ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীরা প্রধান শক্তি হলেও আপামর জনগণ বামপন্থি শক্তিগুলোও গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়। মূলকথা, নৈতিকভাবে পরাজিত হাসিনার সাঙ্গপাঙ্গরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। জামাত-এনসিপি জোট মব সৃষ্টি করে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারকগুলোতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ভাঙচুর তাণ্ডব চালায়। নব্য ফ্যাসিস্টরা লুটপাট, নিজের ট্যাক্স মওকুফ এবং দেশ ধ্বংসের চুক্তি করে। বিএনপি ক্ষমতার লোভে সমঝোতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি মেনে নয়। এমনই পরিস্থিতিতে আকাশে মেঘ জমেছে, সকালের স্বপ্ন দেখতে মানুষ ভুলে যাচ্ছে। কেউ কেউ পরাজিত পলাতককে বিকল্প ভাবতে চায়। মনে রাখতে হবে, গণঅভ্যুখানের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত শাসকদলীয় ন্যারেটিভ প্রত্যাখ্যান করেছে। বস্তুত, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একপেশে আওয়ামী ন্যারেটিভ পরাজিত হয়েছে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সাম্প্রদায়িক বুর্জোয়া ন্যারেটিভ গড়ে উঠছে। স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ গণতন্ত্র বৈষম্যের যাতাকালে পিষ্ট শোষিত নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষ তার প্রয়োজনে খুঁজে নেবে বৈষম্যবিরোধী মুক্তিযুদ্ধের নিজস্ব সৎ বস্তুনিষ্ঠ ন্যারেটিভ। বুর্জোয়া লুটেরাদের বিরুদ্ধে শক্তির বাম বিকল্প। কারা এই বিপ্লবী ধারায় জনগণের নেতৃত্ব দেবে তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। এখনই প্রস্তুত হওয়ার সময় : বৈষম্য প্রকট দাসত্ব চুক্তি আমদানিনির্ভর অর্থনীতি লুটেরাবান্ধব সরকার তেল গ্যাস বিদ্যুৎ বন্দর লিজ দেয়ার বিপরীতে সমতা, সর্বনির্ভর অর্থনীতি গ্রামমুখী অর্থনীতি, কৃষি শিল্প বাঁচাতে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত স্বল্প আয়ের মানুষ বাঁচাতে তীব্র লড়াই অনিবার্য। কোনো একক দল বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিতে পারবে না। প্রয়োজন শ্রমিক, কৃষক, ক্ষেতমজুর, নারী, আদিবাসী, ছাত্র যুবক, সংহতি কর্মী, বস্তিবাসী, সাংবাদিক আইনজীবী পেশাদার সমাজের বিভিন্ন স্বরের মানুষ মেহনতি শ্রেণির সংগঠনসমূহ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠেী যারা শোষণ-বঞ্চনার শিকার তার সাথে নতুন প্রজন্মে যুক্ত করে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশপ্রেমিক বামপন্থি দলসমূহ বৃহত্তর বলয় সৃষ্টি করে দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও, লড়াই করো, শোষণ-বৈষম্যবিরোধী গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার স্লোগান দক্ষিণপন্থার দিক থেকে সরে নিয়ে দেশ প্রেমিক বামপন্থার দিকে দেশকে পথ দেখাতে হবে। এ পথ বড়ই কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম। এ পথ শটকাট পথ নয়। দল ও শক্তির দোদুল্যমানতা, সুবিধাবাদ, প্রদর্শনবাদ, হতাশা এবং অন্য বুর্জোয়া শক্তির ওপর ভর করে হবে না। সেটি হলে তা ঐতিহাসিকভাবে আরেকটি ব্যর্থতার জন্ম দেবে। যুদ্ধ জয়ের জন্য ধৈর্য্য, সহনশীলতা, পরিকল্পনা, ঐক্য এবং শক্তি বৃদ্ধি অপরিহার্য। দলসমূহের নিষ্ক্রিয় সদস্যদের আদর্শিকভাবে নিজের দলের ওপর আস্থা বাড়াতে হবে। আর যারা প্রগতিশীলতা প্রত্যাখ্যান করে বিলুপ্ত হয়ে অন্য দলের সমর্থক তাদের ন্যারেটিভ থেকে সাবধান থাকতে হবে। চিন্তার ঐক্য, কাজের ঐক্য বাড়াতে হবে। ভোট সমর্থন কম হলে ও লক্ষ লক্ষ মানুষ বিশেষ পরিস্থিতিতে জামাতের হাত থেকে বাঁচতে বুর্জোয়া দলকে ভোট দিয়ে টেস্ট কেস করেছে। হায় বিধি রাম! বিএনপি এখানো আশা পূরণের পথ দেখাতে পারছে না। আশা জাগানিয়া বৃহত্তর ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম থাকলে লক্ষ লক্ষ মানুষ মুখ ফেরাবে বামপন্থার দিকে। অর্ধলক্ষাধিক কর্মী দরকার। এক থেকে দুই, দুই থেকে চার, চার থেকে আট–এ পদ্ধতিতে এগুলে লক্ষাধিক কর্মী রাজপথে থাকবেই। ৭১-এর ধারায় বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে নতুন আশা নিয়ে দাঁড়াতে হবে। বর্তমানের গভীর সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে সমাজব্যবস্থার বিপ্লবী পরিবর্তন সাধন করতে হবেই। ‘আমরা করবো জয়’’ গানটি কারা জোরে জোরে গাইবেন এবং সত্যি সত্যিই বাস্তবায়ন করবেন তা-ই এখন দেখার বিষয়। দেশ ডান দিকে থাকবে নাকি বাম দিকে যাবে–তা নির্ভর করবে আত্মবিশ্বাসের ওপর। আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান শক্তিই দেশকে বাঁচাবে। এখনই বড় বুলি না, এখন প্রস্তুত হবার সময়। ধর্মীয় উগ্রবাদী, লুটেরা গোষ্ঠীর কাছে প্রিয় বাংলাদেশ নিরাপদ নয়, এ শৃঙ্খল যারা ভাঙবে তারাই হবে ইতিহাসের আগামীর নায়ক। ইতিহাসের নায়কদের খুঁজছে দেশ। জয় হোক বাংলাদেশের। লেখক : সদস্য, সিপিবি, কেন্দ্রীয় কমিটি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..