‘লাভ’
একতা প্রতিবেদক :
লাভের জন্যই দুনিয়া। কেউ কি লোকসানের পথে হাঁটতে চায়? সবাই নিজ নিজ লাভের আশা করে। এখন কেউ যদি এসে বলে, অমুক লোক লাভের জন্য দেশে সরকার-প্রধান হইছে, এটা সংবিধান অনুযায়ী ঠিক না। তাহলে তো এই প্রশ্নও এসে পড়তে পারে, আসলে ওই লোক যে সরকার-প্রধান ছিলেন, সেটা সংবিধানসম্মত ছিল কি-না?
কিন্তু এই প্রশ্ন তোলা ঠিক না। কারণ, প্রথমত, তিনি তো ‘ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের অংশ’ হিসেবে সরকার-প্রধান হননি। দেশের মানুষ জোর করে তাকে ফ্রান্স থেকে এনে সরকারের প্রধান বানিয়েছে। সারা বিশ্বেই তার কর্ম-ব্যবসা-লাভ। সেই কর্ম-ব্যবসা-লাভ কি তিনি ফেলে দেবেন? বরং দেখতে হবে, তিনি বিদেশের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে দেশের মানুষকে উদ্ধারে এসেছিলেন। আর দেশের মানুষের ও শিশুদের স্বাস্থ্য উদ্ধারে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন একজন স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকেও।
এখন এসে বিশ্বজয়ী সেই মানুষকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। আসলেই বাঙালি গুণের কদর বুঝে না। নাহলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক কী করে বলেন, ‘সংবিধানের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সাংবিধানিক পদে থাকাকালীন অবস্থায় কোনো লাভজনক কাজে নিয়োজিত হতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দিনে কোর্টে কাজ করে রাতে চেম্বার করতে পারবেন না। রাষ্ট্রপতিও তাঁর কাজ শেষে সিনেমা হলের ম্যানেজারের কাজ করতে পারবেন না। ড. ইউনূস তাঁর নিজের বা নিজের কর্তৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিয়ে সংবিধানের ১৪৭ ধারার বরখেলাপ করেছেন।’
আইনজীবী মনজিল মোরশেদ তো আরও একধাপ এগিয়ে বলেছেন, ‘তখন দেশ একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ছিল। উনি একটা বাহিনী তৈরি করেছিলেন মব সষ্টি করার জন্য। ফলে আদালতও সেই সময় দৃঢ়তা দেখাতে পারেননি। দৃঢ়তা দেখালে হয়তো আদালতের ওপরও আক্রমণ হতো এবং হয়েছেও। আমার ধারণা, ভবিষ্যতে কেউ না কেউ এই বিষয়গুলো আদালতের সামনে আনবেন।’
প্রথম পাতা
জাতীয় স্বার্থে আপস নয়, সংগ্রাম
এই অপচুক্তির জন্য তারেক রহমান সরকারকে কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে
চট্টগ্রাম বন্দর জনগণের, বিদেশি কোম্পানির নয়
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর : উন্নয়নের নামে নব্য উপনিবেশায়ন
জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কখনো আপস হবে না
হামলা এবং দেশ বিক্রির চুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক
‘ব্যবস্থা’
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন