হামলা-মামলা দিয়ে বামপন্থিদের দমিয়ে রাখা যাবে না

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ
একতা প্রতিবেদক : বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বানে - বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলসমূহ খুলে দেয়া ও পাটকলসমূহ আধুনিকায়নের দাবিতে দেশব্যাপী সড়ক ও রাজপথ অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে খুলনায় পুলিশের নৃশংস আক্রমণ ও নেতাকর্মিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ঢাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বাম নেতারা বলেছেন, হামলা মামলা দিয়ে বামপন্থিদের দমিয়ে রাখা যাবে না। দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০ অক্টোবর ঢাকার কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। ছিলেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ইউসিএল’র সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আ ক ম জহিরুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহীদুল্লাহ সবুজ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বাম নেতারা বলেছেন, খুলনার আটরায় ইস্টার্ন জুট মিলের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পূর্ব নির্ধারিত অবরোধ কর্মসূচিতে পুলিশ গুলিবর্ষণ, টিয়ারসেল নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জ করে। পুলিশ ইস্টার্ণ জুট মিলের অভ্যন্তরে শ্রমিক কলোনীতে ঢুকে নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে শারীরিক নির্যাতন করে। পুলিশের লাঠি চার্জে ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবীর জাহিদ, ইউসিএল’র সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড রনজিৎ চট্টপাধ্যায়, বাসদ (মার্কসবাদী)’র নেতা হাসিনুর রহমান, সিপিবি নেতা কমরেড এস এম চন্দনসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। পুলিশ কর্মসূচি থেকে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, সদস্য সচিব ও সিপিবি নেতা এস এ রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাসদ নেতা জনার্দন দত্ত নান্টু, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, শ্রমিকনেতা মোজাম্মেল হোসেন খান, শ্রমিকনেতা অলিয়ার রহমান, শ্রমিকনেতা শামশেদ আলম শমশের, ছাত্র ফেডারেশনের নেতা আল-আমিন শেখ, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা রবিউল ইসলাম রবিসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। পরে অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদাকে ছেড়ে দিয়ে বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে তাদেরকে কারারুদ্ধ করা হয়। তারা বলেন, এরকম হামলা-মামলা দিয়ে বাম জোটের নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না। দুর্বার আন্দোলন গড়ে শ্রমিকবিরোধী আওয়ামী সরকারকে পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য করা হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এ সরকার গণবিরোধী সরকার, নারীবিরোধী সরকার, শ্রমিকবিরোধী সরকার। এ সরকার ভোট ডাকাতির সরকার। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন থেকে দেশ বাঁচাতে মধ্যরাতের ভোট ডাকাতির এ সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। বাম জোটের নেতাকর্মিরা এ লড়াইকে বিজয়ী করবে। বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..