পিপিপি-লিজ নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের আধুনিকায়ন চাই

আন্দোলন অব্যাহত

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

যশোরের অভয়নগরে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত শ্রমিক নেতারা
একতা প্রতিবেদক : রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল অবিলম্বে চালু করা, দুর্নীতি-ভুলনীতি ও লুটপাট বন্ধ করা, অবসরসহ সব শ্রমিকদের পাওনা এককালীন পরিশোধ করাসহ ১৪ দফা দাবিতে পাটকল শ্রমিকরা আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার ইষ্টার্ণ জুট মিল গেটের সামনে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে শ্রমিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, করোনা মহামারীতে পুরো দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন। ঠিক এ সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে স্থায়ী ও অস্থায়ী মোট প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক বেকার করে দিল আওয়ামী লীগ সরকার। এ দুর্যোগে সারা দুনিয়ার নানা প্রণোদনা দিয়ে মানুষের জীবিকা রক্ষার চেষ্টা চলছে। অথচ বাংলাদেশে করোনা মহামারীর সুযোগ নিয়ে সোনালী আঁশের ঐতিহ্যবাহী পাটকল বন্ধ করে দিল। জনগণের প্রতিবাদ ও প্রশ্নের মুখে বাধ্য হয়ে মুখরক্ষার তাগিদে একবার বলছে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) পুনরায় চালু করা হবে, কখনো বলছে জি টু জি-তে চালু হবে, আবার বলছে লীজে চালানো হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বন্ধের পিছনে সরকারের বড় অজুহাত হলো লোকসান। কিন্তু কাদের কারণে লোকসান, লোকসান কাটাতে কি কি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল–তার কোনো উত্তর নেই। নিম্নমানের পাট বেশি দামে কেনা, ৫০ দশকের পুরনো তাঁত দিয়ে উৎপাদন করা, মাথাভারী প্রশাসনের ব্যয়সহ সরকারি ভুলনীতি ও প্রশাসনের দুর্নীতি লোকসানের প্রধান কারণ। ২৫টি পাটকলের ১০ হাজার তাঁতের অর্ধেক অচল রেখে পাটকল লাভজনক করা যাবে না। শ্রমিক নেতৃবৃন্দ হিসেব করে দেখিয়েছিলেন ১২শ কোটি টাকা খরচ করে আধুনিক তাঁত স্থাপন করলে উৎপাদন বাড়বে ৩ গুণ, শ্রমিকদের গড়ে ২৫ হাজার টাকা বেতন দিয়েও পাটকল লাভজনক করা সম্ভব। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে ৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক পদক্ষেপ নিয়েছে। তাই সরকারকে অবিলম্বে পাটকলগুলোকে চালু করে আধুনিকায়ন করতে হবে এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন প্রদান করতে হবে। সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইষ্টার্ণ জুট মিলের সিবিএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা মোজাম্মেল হক খানের সভাপতিত্বে এবং শ্রমিকনেতা মেহেদী হাসান বিল্লালের পরিচালনায় শ্রমিক জনসভায় বক্তব্য রাখেন, পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. কুদরত-ই-খুদা, যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আ ফ ম মহসিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিপিবি খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মো. বাবুল হাওলাদার, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আনিসুর রহমান মিঠু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় বিকল্প সদস্য গাজী নওশের আলী, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, নাগরিক পরিষদ নেতা এস এম চন্দন, ক্ষুধামুক্ত আন্দোলনের আহসান হাবিব, গণসংহতি আন্দোলন ফুলতলা উপজেলা আহ্বায়ক শ্রমিকনেতা অলিয়ার রহমান, শ্রমিকনেতা মোঃ নূরুল ইসলাম, মোঃ কামরুজ্জামান, সামশেদ আলম শমশের, জাকির হোসেন চুন্নু, নজরুল ইসলাম মল্লিক, যুব ইউনিয়ন নেতা গাজী আফজাল হোসেন, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহ্বায়ক আল আমিন শেখ, ছাত্র ইউনিয়ন বিএল কলেজ শাখার সভাপতি সোমনাথ দে প্রমুখ। সভায় ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ডিসি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি সফলের জন্য শ্রমিকসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানান হয়। যশোরের অভয়নগর উপজেলায় জনসভা এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকালে যশোরের অভয়নগর উপজেলার রাজঘাট কেজি স্কুল চত্বরে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ খুলনা-যশোর অঞ্চলের ব্যানারে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। কার্পেটিং জুট মিল সিবিএ’র সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন- পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ খুলনা-যশোর অঞ্চলের আহবায়ক অ্যাড. কুদরত ই খুদা, যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আ ফ ম মহাসিন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, সাবেক পৌর কাউন্সিলর সমশেদ আলম, নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এস এ রশিদ, শ্রমিক নেতা জনার্দন দত্ত নান্টু, মোজাম্মেল হক খাঁন, মুনীর চৌধুরী, অলিয়ার রহমান, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা গাজী নওশের আলী, নূরুল ইসলাম, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা বেল্লাল আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রনেতা গাজী আফজাল, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক আল-আমিন শেখ। বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বন্ধে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ৫০ হাজার পাটকল শ্রমিক, ৪০ লাখ পাটচাষি ও পাটচাষের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত ৪ কোটি মানুষ। বন্ধ হওয়ায় সরকারি পাটকল আর পাট কিনবে না। বেসরকারি পাটকলগুলো সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো পাটের দাম নিয়ন্ত্রণ করবে। ভারতে কাঁচা পাট চোরাচালান বাড়বে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের অর্থনীতি। পাট বাংলাদেশের একটি স্থায়ী শিল্পের ভিত্তি রচনা করেছিল, যার কাঁচামাল দেশে উৎপাদিত হয়, দেশের চাহিদা পূরণ করে যা রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় সেই শিল্প ও শ্রমিক কৃষকের স্বার্থে পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পূর্ব ঘোষিত জনসভাস্থলে ১৪৪ ধারা জারীর প্রতিবাদে মিট দ্যা প্রেস খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার চন্দনীমহলস্থ সেনহাটি বাজার শিববাড়ী মাঠে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ আহুত গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেল ৪টায় পূর্ব ঘোষিত শ্রমিক জনসভা ১৪৪ ধারা জারি করে প- করে দেয়ার প্রতিবাদে সংগঠনের উদ্যোগে সন্ধ্যায় সিপিবি কার্যালয়ে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা উপস্থিত সাংবাদিকদের নিকট সার্বিক পরিস্থিতির উপর বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আমরা আজকের এ শ্রমিক জনসভার করার জন্য পূর্বেই প্রশাসনকে অবহিত করেছি। অথচ প্রশাসন সুপরিকল্পিতভাবে বানচালের উদ্দেশ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এর পূর্বে নেতৃবৃন্দ চন্দনীমহলস্থ ষ্টার জুট মিল গেটে এক সভায় মিলিত হন। মিট দ্যা প্রেসে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন–বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এড. আ ফ ম মহসিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিপিবি খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। আরও উপস্থিত ছিলেন– জনার্দন দত্ত নাণ্টু, মুনীর চৌধুরী সোহেল, এইচ এম শাহাদাৎ, মোঃ মারুফ গাজী, সুতপা বেদজ্ঞ, আব্দুল করিম, মিজানুর রহমান বাবু, নূরুল ইসলাম, সামশেদ আলম শমশের, কাজী মাহমুদ মিণ্টু, এড. নিত্যানন্দ ঢালী, জয়ন্ত মুখার্জী, কোহিনুর আক্তার কণা, আফজাল হোসেন রাজু, সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, সনজিত মণ্ডল, আল আমিন শেখ, হরষিৎ মণ্ডল প্রমুখ। মিট দ্যা প্রেসে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল জাতীয় সম্পদ। যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে সরকার একক সিদ্ধান্তে রাতের অন্ধকারে ঐতিহ্যবাহী পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়। আমরা দেশের নাগরিক হিসেবে নৈতিক অবস্থান থেকে রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুনরায় চালুর দাবীতে ইতোপূর্বে একাধিকবার শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের কোনো কর্মসূচিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘিœত হয়নি। কিন্তু আজকের কর্মসূচি স্থানীয় প্রশাসন সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই ১৪৪ ধারা জারি করে শ্রমিক জনসভা প- করেছে। আমরা ১৪৪ ধারা বহির্ভূত এলাকায় গিয়ে শ্রমিক ও স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে ধৈর্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছি। তাদেরকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনের এহেন যড়যন্ত্রমূলক ন্যাক্কারজনক ভূমিকা আমাদের বিস্মিত করেছে। আমরা এর তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ খালিশপুরে সংহতি সমাবেশ রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল অবিলম্বে চালু, দুর্নীতি-লুটপাট-ভুলনীতি বন্ধ ও আধুনিকায়ন করা এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪:৩০ টায় খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে এক সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংহতি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাম জোট ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ নেতা আনিসুর রহমান মিঠু-এর যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন– বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আ ফ ম মহসিন, বাসদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, বিশিষ্ট আইনজীবী এড. মঞ্জুরুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক এস এম শাহনওয়াজ আলী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি’র কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, সাংবাদিক ও গবেষক গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, টিইউসি খুলনা জেলা সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, ইষ্টার্ণ জুট মিল সিবিএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক খান, নারী সেল, খুলনার আহ্বায়ক সুতপা বেদজ্ঞ, আইনজীবী ও সাংবাদিক ড. এড. জাকির হোসেন, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা’র ভাইস-চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা কৃষক সমিতি’র সভাপতি নিতাই গাইন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) নেতা গাজী নওশের আলী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের খুলনা জেলা সভাপতি মনিরুল হক বাচ্চু, ইউসিএলবি নেতা মোস্তফা খারিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, টিইউসি নেতা গাজী আফজাল, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান বাবু, বাপা’র খুলনা নির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, খালিশপুর ব্যবসায়ী মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, আবুয়ান ৭১-এর সভাপতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সিপিবি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, তোফাজ্জেল হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সদস্য আল আমিন শেখ, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা বিএল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে, ছাত্র নেতা জয় দাশ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি সনজিত মণ্ডল, শ্রমিক নেতা অলিয়ার রহমান, নূরুল ইসলাম, সামশেদ আলম শমশের, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, সুমন শেখ, ইলিয়াস হোসেন, জসিম গাজী, রাজ্জাক গাজী, হামজা গাজী, আব্দুর রশীদ, জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, জাকির হোসেন, নজরুল ইসলাম মল্লিক, মেহেদী হাসান বিল্লাল, ফজলু মোল্লা, মনির হোসেন, আবুল হাসেম, একলাস মোল্লা, রামপ্রসাদ রায়, জসিম গাজী প্রমুখ। সমাবেশে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, দৌলতপুর শাখার শিল্পীরা গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে স্থায়ী, বদলী ও দৈনিক ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিককে বেকার করে তাদের পরিবারকে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যে দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে এসব মিলগুলো লোকসান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তার দায় শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশীয় লুটপাটকারী ও পাটপণ্যের বাজার ভারতের হাতে তুলে দিতেই সরকার পাটকলগুলো বন্ধ করেছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..